আইন-আদালত

ভুয়া ওয়ারেন্টে সাংবাদিক আটক, ১৮ ঘণ্টা পর আদালত থেকে মুক্তি

  বাংলাদেশ প্রতিদিন 7 April 2026 , 6:24:20

কুমিল্লার দেবিদ্বারে ভুয়া গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে সাংবাদিক সোহরাব হোসেনকে আটক করে থানা পুলিশ। আটকের প্রায় ১৮ ঘণ্টা পর আদালতের নির্দেশে মুক্তি পান তিনি।

সোহরাব হোসেন দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ-এর দেবিদ্বার উপজেলা প্রতিনিধি এবং দেবিদ্বার রিপোর্টার্স ইউনিটির নির্বাহী সদস্য।

জানা যায়, গত সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকেল ৫টার দিকে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর দেবিদ্বার উপজেলা কার্যালয়ের সামনে ভারপ্রাপ্ত প্রধান তত্ত্বাবধায়ক জাহাঙ্গীর আলম ও দলীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কথা বলছিলেন সাংবাদিক সোহরাব হোসেন। এ সময় দেবিদ্বার থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ভবতোষ কান্তি দে’র নেতৃত্বে একদল পুলিশ সেখানে গিয়ে কুমিল্লার সিআর মামলা নং-৫৭০/২০২৫-এর একটি ভুয়া গ্রেপ্তারি পরোয়ানার কথা বলে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
থানায় প্রায় ১৮ ঘণ্টা আটকে রাখার পর মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় তাকে কুমিল্লা আদালতে প্রেরণ করা হয়। পরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সায়মা শরীফ নিশাত তার কাগজপত্র যাচাই করে কোনো বৈধ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা না পাওয়ায় তাকে মুক্তির নির্দেশ দেন।

সাংবাদিক সোহরাব হোসেন বলেন, “দেবিদ্বার উপজেলার উটখারা মাজারের জমি অবৈধভাবে দখলকারীরা দীর্ঘদিন ধরে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। আমরা নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিচ্ছি। একটি মামলায় জামিন থাকার পরও ওই মামলার নামে আমাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। থানায় বিষয়টি জানালেও তারা তা আমলে নেয়নি।”

তিনি আরও বলেন, “ভুয়া ওয়ারেন্টের কারণে আমার সম্মানহানি হয়েছে। এ ঘটনায় আমি আদালতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করবো।”

এ বিষয়ে দেবিদ্বার থানার উপ-পরিদর্শক ভবতোষ কান্তি দে বলেন, “আদালত থেকে ওয়ারেন্ট থাকায় আমরা তাকে আটক করে আদালতে পাঠিয়েছি। ওয়ারেন্ট যাচাই করার সুযোগ আমাদের থাকে না।”

অন্যদিকে, কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৪নং আমলী আদালতের পেশকার মো. জসিম উদ্দিন জানান, “সোহরাব হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাটি ভুলবশত থানায় চলে গিয়েছিল। আদালতে আনার পর বিষয়টি যাচাই করে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।”

আজকালের কন্ঠ/আর বি

আরও খবর:

Sponsered content