বাংলাদেশ প্রতিদিন 18 September 2026 , 10:32:07
জিততে হলে রেকর্ড গড়তে হতো জিম্বাবুয়েকে। দুই দলের মধ্যে আজ যে দলীয় সর্বোচ্চ ৩৫৬ রান করেছে অস্ট্রেলিয়া।

আর জিম্বাবুয়ে একবারই তিন শ পেরিয়েছে। ২০০১ সালে ৩০৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১ রানে হেরেছিল জিম্বাবুয়ে, ৩০১ রানে থেমেছিল তারা। ম্যাচের ফল তাই অনেকটা নিশ্চিতই ছিল। খেলা শেষে তাই হলো।
হারারের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৮৪ রানের পরাজয় দেখেছে জিম্বাবুয়ে। এ জয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই ২-০ ব্যবধানে সিরিজ নিজেদের করে নিল অস্ট্রেলিয়া।
রেকর্ড লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২৭২ রানে থেমেছে জিম্বাবুয়ের ইনিংস। প্রথম ৮ ব্যাটার দুই অঙ্কের ঘর স্পর্শ করলেও কেউই ফিফটির দেখা পাননি।
সর্বোচ্চ ৪৫ রান করেছেন অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। বিপরীতে অজিদের ৪ জন বোলার সর্বোচ্চ ২টি করে উইকেট নিয়েছেন।
অস্ট্রেলিয়ার জয়ের কাজটা অবশ্য ব্যাটাররাই করে রেখেছেন। বিশেষ করে রেকর্ড সেঞ্চুরি হাঁকানো ট্রাভিস হেড। ১১২ রানের ইনিংস খেলার পথে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েছেন বাঁহাতি ওপেনার।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটার হিসেবে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডটি গড়েছেন ৭৫ বলে। পেছনে ফেলেছেন তিন দিন আগে প্রথম ওয়ানডেতে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি করা ম্যাট রেনশর রেকর্ডকে। সেদিন ৮৬ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন রেনশ।
ক্যারিয়ারের অষ্টম সেঞ্চুরি পেয়েছেন হেড। তিন অঙ্কের ইনিংসটিতে ১৫ চারের বিপরীতে হাঁকান ৩ ছক্কা। ১৩৩.৩৩ স্ট্রাইকরেটের ইনিংসে পরে ম্যাচসেরাও হন বাঁহাতি ওপেনার। রেকর্ড ৩৫৬ রানের স্কোরে জোড়া ফিফটি পেয়েছেন মিচেল মার্শ ও কুপার কনোলি। কনোলির ৭৮ রানের বিপরীতে ৫৩ রান করেন অধিনায়ক ও ওপেনার মার্শ। জিম্বাবুয়ের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন ব্র্যাড ইভান্স।
আর হেডের সেঞ্চুরি মানেই যেন অস্ট্রেলিয়ার জয়। তিন সংস্করণ মিলিয়ে আজকের সেঞ্চুরিটি হেডের ছিল ২০তম। তার সেঞ্চুরি করা কোনো ম্যাচেই হারেনি অস্ট্রেলিয়া। তার থেকে বলা যায় ‘সব ম্যাচেই জয়’ পেয়েছে। কারণ, একটি টেস্ট শুধু ড্র হয়েছে। বাকি সব ম্যাচে জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। ওয়ানডের ৮ সেঞ্চুরির বিপরীতে ১২টি করেছেন টেস্টে।
সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর। ম্যাচটি হারারেতেই হবে।



