জাতীয়

রমজানে সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রি করবে সরকার: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়

  বাংলাদেশ প্রতিদিন 3 February 2026 , 11:41:15

আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে সাধারণ জনগণ যেন সহজেই প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উদ্যোগে মাসব্যাপী সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম, গরুর মাংস ও ড্রেসড ব্রয়লার বিক্রি করবে সরকার।

পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে মাংস, ডিম ও দুধের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ এবং বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখার বিষয়ে করণীয় নির্ধারণে রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।

সভায় বিস্তারিত আলোচনার পর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, রমজানের আগের দিন থেকে ২৫ রমজান পর্যন্ত মোট ২৬ দিন ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্রের মাধ্যমে ড্রেসড ব্রয়লার, দুধ, ডিম ও গরুর মাংস সুলভ মূল্যে বিক্রি করা হবে। এ কর্মসূচির আওতায় ড্রেসড ব্রয়লারের মাংস প্রতি কেজি ২৪৫ টাকা, পাস্তুরিত দুধ প্রতি লিটার ৮০ টাকা, ডিম প্রতি পিস ৮ টাকা এবং গরুর মাংস প্রতি কেজি ৬৫০ টাকায় ভোক্তাদের কাছে বিক্রি করা হবে।

সভায় আরো সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়- প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আওতাধীন বিভাগীয় পরিচালক ও জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাগণ জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে ঢাকা শহরের বাইরে অন্যান্য বিভাগীয় ও জেলা শহরেও স্থানীয় বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম, মাংস ও ব্রয়লার বিপণনের উদ্যোগ গ্রহণ করবে। সুলভ মূল্যে প্রাণিজ পণ্য বিক্রির জন্য জনগণের চাহিদা বিবেচনায় ঢাকা ও সিটি করপোরেশন এলাকায় প্রাথমিকভাবে ২৫টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রস্তাবিত স্থানসমূহ হলো— সচিবালয়ের পাশে (আব্দুল গনি রোড), খামারবাড়ি (ফার্মগেট), ষাটফুট রোড (মিরপুর), আজিমপুর মাতৃসদন, নয়াবাজার (পুরান ঢাকা), উত্তরা হাউজ বিল্ডিং, রামপুরা বাজার, হাজারীবাগ, আরামবাগ (মতিঝিল), কালশী (মিরপুর), মানিক নগর গলির মুখ (যাত্রাবাড়ী), শাহজাদপুর (বাড্ডা), কড়াইল বস্তি (বনানী), কামরাঙ্গীরচর, খিলগাঁও (রেল ক্রসিং দক্ষিণ), নাখালপাড়া (লুকাস মোড়), সেগুনবাগিচা (কাঁচা বাজার), মোহাম্মদপুর (বাবর রোড), মোহাম্মদপুর (বসিলা), কাকরাইল, বনশ্রী, মিরপুর-১০, কল্যাণপুর, তেজগাঁও এবং পুরান ঢাকা (বঙ্গবাজার)। এছাড়া স্থানীয় উদ্যোক্তা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনের সঙ্গে সমন্বয় করে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়ের জন্য স্থায়ী স্পট নির্ধারণের মাধ্যমে বিক্রয় কেন্দ্রের সংখ্যা পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধি করা হবে।

আজকালের কন্ঠ/আর বি

আরও খবর:

Sponsered content