Uncategorized

এনসিপি নেতার পদত্যাগ

  বাংলাদেশ প্রতিদিন 20 March 2026 , 4:46:27

জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগের লোকদের কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ তুলে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) রংপুর জেলা কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব শেখ রেজওয়ান পদত্যাগ করেছেন। আজ (২০ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে দলের সব পদ ও দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন তিনি।

পদত্যাগের বিষয়ে শেখ রেজওয়ান গণমাধ্যমকে বলেন, এনসিপির রংপুর জেলা ও মহানগর কমিটির নেতৃত্বে এমন ব্যক্তিদের আনা হয়েছে, যারা জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। তার দাবি, যারা জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগের লোক ছিল তারা নেতৃত্বে এসেছে।বিপ্লবীদের দল জাতীয় নাগরিক পার্টিতে যারা বিপ্লবের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল না, তাদের মাধ্যমে নেতৃত্ব দেওয়া সম্ভব না।

জেলা কমিটির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব নিয়েও অভিযোগ করেন তিনি। তার দাবি, জেলা কমিটির সদস্য সচিব এরশাদ হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত থাকায় তাকে তার পদ থেকে সরানোর পর সেই পদ নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব মনিরুজ্জামান মনির ওই পদে আসার কথা থাকলেও তিনি রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ান।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, জেলা কমিটির ১ নম্বর যুগ্ম সদস্য সচিব হলেও গ্রুপিংয়ের কারণে তাকে দায়িত্ব না দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পদটি শূন্য রেখে দল পরিচালনা করা হচ্ছে। তার সঙ্গে দলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সাদিয়া ফারজানা দিনা ও আসাদুল্লাহ আল গালিবের দ্বন্দ্বের কারণে তাকে নেতৃত্ব থেকে সরানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

জেলা কমিটির আহ্বায়ক আল মামুনের বিরুদ্ধেও অভিযোগ তুলে শেখ রেজওয়ান বলেন, দলের মধ্যে গ্রুপিং ও বিভাজন চরম আকার ধারণ করেছে। এখানে ছোটরা বড়দের সম্মান করে না, দলীয় শৃঙ্খলা নেই। বিভিন্ন দলের লোক দলে ঢুকে পড়ায় সংকট তৈরি হয়েছে।

গত বছরের ২ ডিসেম্বর জাতীয় পার্টির ছাত্র সংগঠন জাতীয় ছাত্র সমাজের সাবেক সভাপতি আল মামুনকে সভাপতি ও এরশাদ হোসেনকে সদস্য সচিব করে রংপুর জেলা আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। পরে একটি জাতীয় দৈনিকে ‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এনসিপির সদস্যসচিব’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর এরশাদ হোসেনকে ওই পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস।

আজকালের কন্ঠ/আর এস

আরও খবর:

Sponsered content